HomeUncategorizedডিমলায় ১৬ হাজার ৫৭৮ সিএফটি পাথর নিলামে বিক্রির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে উপজেলা...

ডিমলায় ১৬ হাজার ৫৭৮ সিএফটি পাথর নিলামে বিক্রির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে উপজেলা প্রশাসন 

হাবিবুল হাসান হাবিব, ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি:

নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে উত্তোলনের অভিযোগে জব্দ করা পাথর নিলামে বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে ডিমলা উপজেলা প্রশাসন। তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে উত্তেলিত জব্দকৃত পাথরগুলো সাতটি পৃথক লটে মোট ১৬ হাজার ৫৭৮ সিএফটি পাথর বিক্রির জন্য নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামীকাল বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে এ উন্মুক্ত নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৩টা দিকে উপজেলার টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নে তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করেন ডিমলা উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে সাতটি সাইট থেকে আনুমানিক তিস্তা নদী থেকে উত্তোলনকৃত পাথর, পাথর ভাঙার মেশিন এবং পাথরবোঝাই একটি ট্রাক জব্দ করা হয়। অভিযানে টেপাখড়িবাড়ী ও গয়াবাড়ী ইউনিয়নের ভূমি সহকারী কর্মকর্তারা সহ নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় বিজিবির ২২ সদস্য এবং পুলিশের একটি দল সহায়তা করে। অভিযানের পর সাতটি সাইটের পাথর সঠিক পরিমাপ করে উপজেলা প্রশাসনের নিলাম বিজ্ঞপ্তিতে মোট ১৬ হাজার ৫৭৮ সিএফটি পাথরের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শুটিবাড়ী বাজারের উত্তরে মিস্টারের পয়েন্টে ৩ হাজার ১০০ সিএফটি, হাবিবুরের পয়েন্টে ২ হাজার ২১৯ সিএফটি, হেলালের পয়েন্টে ৩ হাজার ৪৮০ সিএফটি এবং জামিনুরের পয়েন্টে ২ হাজার ৪৯৮ সিএফটি পাথর রয়েছে। এ ছাড়াও শুটিবাড়ী বাজারের উত্তরে হিন্দুপাড়া বড় পুকুরের সামনে ১ হাজার ৪৯৬ সিএফটি, দক্ষিণ খড়িবাড়ী ফেডারেশনের পাশে নুরু মিয়ার পয়েন্টে ১ হাজার ৭৬৭ সিএফটি এবং ইউনিয়ন পরিষদের পাশে ২ হাজার ১৮ সিএফটি পাথর রয়েছে। নিলাম বিজ্ঞপ্তিতে প্রতি সিএফটি পাথরের ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৫ টাকা। সে হিসাবে সাতটি লটে পাথরের মোট ভিত্তিমূল্য ১০ লাখ ৭৭ হাজার ৫৭০ টাকা। নিলামে অংশ নিতে আগ্রহী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে প্রতিটি লটের জন্য পৃথকভাবে এক হাজার টাকা অফেরতযোগ্য ফি জমা দিতে হবে। বিজ্ঞপ্তির শর্ত অনুযায়ী, সর্বোচ্চ দরদাতাকে নিলাম শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দরকৃত মূল্যের ১০ শতাংশ জমা দিতে হবে। পরবর্তী তিন কর্মদিবসের মধ্যে অবশিষ্ট অর্থ ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে। পাশাপাশি দরকৃত মূল্যের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও ১০ শতাংশ আয়কর জমা দিয়ে চালানের মূল কপি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেওয়ার পর কার্যাদেশ নিতে হবে। কার্যাদেশ পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে নিজ দায়িত্বে পাথর অপসারণ করতে হবে। নিলামে অংশগ্রহণের আগে আগ্রহী দরদাতাদের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের নোটিশ বোর্ড থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ এবং সরেজমিনে পাথরের পরিমাণ যাচাই করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত ভিত্তিমূল্যের চেয়ে কম দর পাওয়া গেলে অথবা অন্য কোনো যুক্তিসংগত কারণে দর গ্রহণযোগ্য না হলে নিলাম বাতিল করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করেছে কর্তৃপক্ষ। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরানুজ্জামান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রথম পর্যায়ের নিলামে পাথর বিক্রি না হলে পরবর্তী সময়ে দ্বিতীয়, তৃতীয়সহ ধারাবাহিকভাবে নিলাম আয়োজন করা হবে।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments