Homeঅর্থনীতিঅভয়াশ্রম গড়ে তুলি দেশী মাছে দেশ ভরি”

অভয়াশ্রম গড়ে তুলি দেশী মাছে দেশ ভরি”

মোঃ শামীম হোসেন- খুলনা প্রতিনিধিঃ-
“অভয়াশ্রম গড়ে তুলি দেশী মাছে দেশ ভরি” এই প্রতিপাদ্যে দাকোপে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২৫ এর উদ্বোধন হয়েছে। কর্মসূচীর অংশ হিসাবে সোমবার সকালে উপজেলা পষিদ চত্বর থেকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়ে চালনা বাজার প্রদক্ষিন করে। র‌্যালী শেষে উপজেলা হেড কোয়ার্টার জামে মসজিদের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। এরপর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন দাকোপ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসমত হোসেন। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় দাকোপ আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দাকোপ উপজেলা সিনিময়র মৎস্য অফিসার প্রদীপ কুমার দাম। সভায় বক্তৃতা করেন দাকোপ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির মাওলানা আকতারুজ্জামান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র উপজেলা সভাপতি আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম, চালনা পৌরসভা বিএনপির সাবেক সদস্য সচীব মোঃ আলামিন সানা, দাকোপ প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ শামিম হোসেন, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কমকর্তা, প্রেসক্লাবের সাংবাদিক বৃন্দ সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত মৎস্য চাষীবৃন্দ, মৎস্য চাষী রাজিব সানা। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তৃতা করেন উপজেলা ফিশারিজ অফিসার বিপুল কুমার দাশ। অনুষ্ঠানে এ বছর মৎস্য চাষে সাফাল্যের স্বীকৃতি হিসাবে উন্নত মানের বাগদা পিএল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রেড ষ্টার হ্যাচারী, সচেতন মৎস্য চাষী হিসাবে মোঃ সোহরাব হোসেন, সফল চিংড়ী চাষী রুহুল আমিন মিস্ত্রী এবং সফল কার্প মিশ্র চাষী হিসাবে খালিদ পাড়কে ক্রেস্ট দেওয়া হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকারী মোঃ আলমাস হোসেন।
[19/08, 10:17 pm] Dk News Shamim Vai: খুলনায় মৎস্য সম্পদের উন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
মোঃ শামীম হোসেন – খুলনা প্রতিনিধিঃ-
 জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষ্যে ‘মৎস্য সম্পদের স্থায়ীত্বশীল উন্নয়ন এবং সর্বোত্তম ব্যবহার’ বিষয়ে অংশীজনদের সাথে মতবিনিময় সভা ১৯ আগস্ট (মঙ্গলবার) দুপুরে খুলনাস্থ বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএফইএ)’র সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক বিপুল কুমার বসাক। সভায় অতিথিরা বলেন, বিদেশে মানসম্মত মৎস্যপণ্য রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পরিমাণ বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। তবে পণ্যের মান ধরে রাখতে না পারলে অথবা মাছে অপদ্রব্য মেশালে মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানির আন্তর্জাতিক বাজার হারাতে হবে। তাই মাছের পোনা সংগ্রহ, চাষ, আহরণ, বাজারজাত ও প্রক্রিয়াজাতকরণ-সহ সব পর্যায়ে আদর্শমান ঠিক আছে কিনা তা নিয়মিত পরীক্ষা করা আবশ্যক। দেশের মোট রপ্তানি আয়ে মৎস্যখাত একসময় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবদান রাখতো, এখন সেটা সপ্তম স্থানে নেমে এসেছে। আমরা এ অবস্থার পরিবর্তন চাই। ভালো মানের পোনা সরবরাহ নিশ্চিতে মৎস্য বিভাগ আরও সক্রিয় হবে বলে আশা করা যায়। কার্প জাতীয় মাছ চাষের পাশাপাশি দেশীয় প্রজাতির মাছ রক্ষায় গৃহীত উদ্যোগগুলোর কার্যকর বাস্তবায়ন হওয়া প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের হিসেব মতে দেশে মাছের মোট উৎপাদন ৫০.১৮ লাখ মেট্রিক টন। দেশের ১৪ লাখ নারী-সহ দুই কোটির অধিক মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মৎস্য সেক্টরের সাথে জড়িত। দেশের মোট জিডিপিতে মৎস্যখাতের অবদান ২.৫৩ শতাংশ এবং কৃষিজ জিডিপিতে এখাতের অবদান ২২.২৬ শতাংশ। বাংলাদেশ ইলিশ আহরণে প্রথম, অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ আহরণে দ্বিতীয় ও তেলাপিয়া মাছ উৎপাদনে পঞ্চম। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রায় ছয় হাজার একশত ৪৫ কোটি টাকা সমমূল্যের ৯১ হাজার মেট্রিক টন মাছ বা মৎস্যজাত পণ্য বিদেশে রপ্তানি হয়েছে। খুলনা বিএফএফইএ এর সাবেক সহসভাপতি এস হুমায়ুন কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ বদরুজ্জামান, মৎস্য অধিদপ্তরের কোয়ালিটি কন্ট্রোল ল্যাবরেটরির কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স ম্যানেজার মোঃ জাহিদুল হাসান এবং মৎস্য পরিদর্শন ও মাননিয়ন্ত্রণ দপ্তর খুলনার সিনিয়র সহকারী পরিচালক মোঃ আবুল হাসান। মতবিনিময় সভায় মৎস্যখাতে খুলনা অঞ্চলের অবদান, লাভজনক ও মানসম্মতভাবে মাছচাষ, মৎস্য ও মৎস্যপণ্য (পরিদর্শন ও মাননিয়ন্ত্রণ) আইন-২০২০ বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মৎস্য পরিদর্শন ও মাননিয়ন্ত্রণ দপ্তরের মাননিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা লিপ্টন সরদার। খুলনা মৎস্য অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয় আয়োজিত সভায় মাছচাষি, মাছ ব্যবসায়ী ও রপ্তানিখাত-সংশ্লিষ্টরা অংশ গ্রহণ করেন।
One attachment • Scanned by Gmail

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments