মিজানুর রহমান (লাভলু)সিলেট:
কানাইঘাট উপজেলার দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউনিয়নে দক্ষিণ বাণীগ্রামে শাশুড়ীকে কুপিয়ে গুরুতর আহতের মামলায় পুত্রবধু এখন জেল হাজতে। জানা যায়, পারিবারিক কলহের জের ধরে গত ১৫ অক্টোবর মাগরিবের নামাজরত অবস্থায় শাশুড়ী সালেহা বেগম ৫০ কে ধারালো দা দিয়ে মাথায় কুপিয়ে গুরুতর আহত করে পুত্রবধু তাসনিয়া বেগম (২২)। শাশুড়ীকে আহত করার পর পুত্র বধূ তাসনিয়া বেগম স্বামীর বাড়ী থেকে পালিয়ে যান। এঘটনায় গুরুতর আহত সালেহা বেগমের মেয়ে জুলফা বেগম বাদী হয়ে কানাইঘাট থানায় তাসনিয়া বেগমকে আসামী করে মামলা করেন। থানার মামলা নং- ২১ তারিখ- ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং। মামলা দায়েরের পর তাসনিয়া বেগম পলাতক ছিলো। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর গত সোমবার (২২ জুন) তাসনিয়া বেগম শাশুড়ীর আহতের মামলায় সিলেটের কানাইঘাট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে বিজ্ঞ আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বর্তমানে সিলেট জেল হাজতে রয়েছে পুত্রবধু তাসনিয়া বেগম। মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয় তাসনিয়া বেগমের স্বামী প্রবাস থাকায় তিনি শাশুড়ী সালেহা বেগমকে নিয়ে স্বামীর বাড়ীতে থাকতেন। কিন্তু বিভিন্ন সময় শাশুড়ীকে নির্যাতন, সব সময় খারাপ আচরণ করতেন পুত্রবধু তাসনিয়া বেগম। এমনকি শাশুড়ীর সঞ্চয় জমানো টাকা পয়সা নিয়ে যেতেন তাসনিয়া। এনিয়ে পারিবারিক কলহের জের ধরে গত ১৫ অক্টোবর যখন নিজ গৃহে মাগরিবের নামাজ আদায় করার সময় সিজদারত অবস্থায় পুত্র বধু তাসনিয়া বেগম ধারালো দা দিয়ে শাশুড়ীর মাথায় এলোপাতাড়ী কুপিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে তাসনিয়া পালিয়ে যায়। দীর্ঘদিন সিলেট এম. এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন সালেহা বেগম। পুত্রবধুকে জামিন না মঞ্জুর করে আদালত জেল হাজতে প্রেরণ করায় মামলার বাদী জুলফা বেগম সহ তার পরিবারের সদস্যরা প্রাথমিক ন্যায় বিচার পেয়েছেন বলে জানান।


