Homeজাতীয়প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহার পানির ট্যাংকী বিক্রি করে পাটগাতী ৭নং ইউপি সদস্যর ব্যপক...

প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহার পানির ট্যাংকী বিক্রি করে পাটগাতী ৭নং ইউপি সদস্যর ব্যপক বানিজ্য

মোঃ শিহাব উদ্দিন গোপালগঞ্জ
গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা খাবার পানি সংকট নিরশনে বৃষ্টির পানি ধরে রেখে সারা বছর খাবার পানি সংরক্ষনের কল্পে ৩ হাজার লিটার জেকে পলিমার কোম্পানীর প্রস্ততকৃত পানির ট্যাংকি গরীব অসহায় দের মাঝে বিতরন করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া এই সকল পানির ট্যাংকি টুঙ্গিপাড়ার স্থানীয় জন প্রতিনিধিরা চড়া দামে বিক্রি করছে । সরকার ট্যাংকির দাম নির্ধারন করে দিয়েছেন ১৫ শত টাকা । স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা গ্রামের খেটে খাওয়া সাধারন মানুষের কাছ থেকে প্রতি ট্যাংকি বাবদ নিচ্ছে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা ।
সরেজমিনে গেলে জানা যায়, টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ৪ণং পাটগাতি ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ কবির হোসেন মোল্লা ই্উনিয়ন পরিষদ এর বরাদ্দকৃত ৭টি ট্যাংকি ২৫০০ টাকা করে বিতরন করেন প্রথম ধাপে। পরবর্তী ধাপে তিনি ৮০ টি পানির ট্যাংকী বিতরন করেন, বিতরন কৃত ট্যাংকীর মূল্য সাধারন মানুষের কাছ খেকে আদায় করেন ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা। সরকার পানির ট্যাংকীর ১৫ শত টাকা মূল্য নির্ধারন করলেও এই সকল মেম্বাররা নিজেদের স্বার্থের জন্য জনগনকে ঠকিয়ে লুফে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহার নিয়ে যারা ফয়দা লুটছে এবং সরকারের বদনাম করছে এদেরকে আইনের আওতায় এনে বিচারের ব্যাবস্থা করা আহব্বান জানাই।
এ ব্যপারে ৭ নং ওয়ার্ডের ভ্যান চালক রফিক মোল্লা বলেন, আমি গরীব মানুষ আমাদের এলাকায় সব সময়েই পানির সমস্যা থাকে। আমি অনেক কষ্টে ৫ হাজার টাকা জোগাড় করে আমাদের মেম্বার কবির মোল্লাকে দিয়েছি, সে আমাকে একটি ট্যাংকী দিয়েছে।
এ ব্যপারে পাটগাতি ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নং ওয়ার্ড মেম্বার কবির মোল্লার কাছে জানতে চাইলে গনমাধ্যম কর্মীদের কাছে তিনি বলেন, থানা ইঞ্জিনিয়ার আমাকে যে ভাবে বলেছে আমি তাই করেছি আমি কোন টাকা খাই নাই। আর নিউজ করলে আমার কি হবে। অবশেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, নিউজ করে পেপারটা আমাকে দিয়ে যাবেন।
ট্যাংকীর ব্যাপারে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তর টুঙ্গিপাড়া উপজেলা কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার মজুমদার বলেন, এটা মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর দেওয়া উপহার। ট্যাংকীর গায়ে লেখা আছে এটা ক্রয় ও বিক্রয় করা সমান অপরাধ । এই ট্যাংকীর মূল্য সরকার নির্ধারন করে দিয়েছে মাত্র ১৫শত টাকা । সরকার উপকূলীয় জেলা সমূহে বৃষ্টির পানি সংরক্ষনের জন্য এই ট্যাংকী জনগনের মাঝে প্রদান করেছে, জনগনের সুবিধার্থে এখানে যদি কোন জনপ্রতিনিধি বানিজ্য করার চেষ্টা করে আমরা তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করবো।
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments