আবছার খাঁন জয় টেকনাফ উপজেলা প্রতিনিধি :::::
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান ও অবৈধ পণ্য পাচার প্রতিরোধে সীমান্তবর্তী এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর অধীনস্থ সাবরাং বিওপি’র রাডার নজরদারির মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত একটি বিশেষ অভিযানে মায়ানমারে পাচারের প্রাক্কালে মালিকবিহীন অবস্থায় ৫৩ বস্তা সারসহ ০১টি ইঞ্জিনচালিত সাম্পান নৌকা জব্দ করা হয়েছে।
গত ২০ আগস্ট ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ২৩০০ ঘটিকায় সাবরাং বিওপিতে স্থাপিত রাডারের মাধ্যমে দায়িত্বপূর্ণ নাফ নদীতে সন্দেহজনক একটি নৌযানের গতিবিধি শনাক্ত করা হয়। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে অধিনায়ক, টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় সাবরাং বিওপি’র একটি আভিযানিক দল তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানকালে বিজিবি’র আভিযানিক দল সাবরাং বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকার ওবিএম পোস্ট সংলগ্ন নাফ নদীতে তল্লাশি চালিয়ে মায়ানমারে পাচারের প্রাক্কালে মালিকবিহীন অবস্থায় ০১টি ইঞ্জিনচালিত সাম্পান নৌকাসহ ৫৩ বস্তা সার জব্দ করে।
উল্লেখ্য, সীমান্তে চোরাচালান প্রতিরোধে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন প্রচলিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারির পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি ও রাডার নজরদারি ব্যবস্থার মাধ্যমে নাফ নদীতে সন্দেহজনক নৌযান ও চোরাচালান কার্যক্রম শনাক্তকরণে সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে।
অধিনায়ক, টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) বলেন, “বাংলাদেশ হতে মায়ানমারে অবৈধ পণ্য পাচার এবং মায়ানমার হতে বাংলাদেশে মাদক ও অন্যান্য চোরাচালানি পণ্য প্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। সীমান্তে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, গোয়েন্দা নজরদারি, নিয়মিত টহল এবং বিশেষ অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। টেকনাফ ব্যাটালিয়নের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
জব্দকৃত সার ও ইঞ্জিনচালিত সাম্পান নৌকার বিষয়ে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


