HomeUncategorizedপাবনায় এবিএস ফাউন্ডেশনের বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি সম্পন্ন 

পাবনায় এবিএস ফাউন্ডেশনের বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি সম্পন্ন 

খালেদ আহমেদ

এবিএস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে “পরিকল্পিত বনায়ন করি সবুজ বাংলাদেশ গড়ি” এই স্লোগানে সোমবার ২৮ জুলাই  দুপুরে ইমাম গাযযালী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে স্মারক বৃক্ষ হিসেবে সোনালু ও মহুয়া গাছ রোপণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্কুলের হলরুমে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ সুরাইয়া সুলতানা। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল কাশেম।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সহকারী শিক্ষক আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন ইছামতি নদী উদ্ধার আন্দোলন, পাবনার সভাপতি এস. এম. মাহবুব আলম, রিভারাইন পিপল পাবনার সভাপতি ড. মনছুর আলম, ইমাম গাযযালী ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আইয়ুব হোসেন খান, সহকারী প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমান, বেলা নেটওয়ার্কের সদস্য শফিক আল কামাল এবং সিএনএফ টিভি’র চেয়ারম্যান খালেদ আহমেদ।

 

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক প্রতিনিধি মোবাশ্বেরা সালমা, সহকারী শিক্ষক সুলতানা পারভীন ইতি, হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ আলীসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে শতাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলজ, ঔষধি ও বনজ গাছের মোট ২শ টি চারা বিতরণ করা হয়।

বিতরণকৃত চারার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল—কলমের আম, পেয়ার, লেবু, নিম, তমালসহ বিলুপ্তপ্রায় ১৪ প্রজাতির গাছের চারা। এর মধ্যে তমাল, পলাশ, জারুল, চম্পা, কাঠবাদাম, বকুল, মনিরাজ পাম, কামিনী, হরীতকী, বহেরা, কৃঞ্চচূড়া ও সাইকাস পাম উল্লেখযোগ্য।

অনুষ্ঠানে বিশেষ সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত বন কর্মকর্তা, পরিবেশবান্ধব ও এবিএস ফাউন্ডেশনের সভাপতি রোটারিয়ান আলতাফ হোসেন।

তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ পাবনার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্মারক বৃক্ষরোপণ করে আসছেন এবং প্রতি বছর এই বিদ্যালয়েও স্মারক বৃক্ষরোপণ করেন।

শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে গাছের উপকারিতা নিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী সানজিদা আক্তার আলো।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তিলাওয়াত করেন নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মার্জানা আক্তার বিসমি।

 

পরিবেশ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এই ধরণের উদ্যোগ নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বলে আয়োজকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments