Homeজাতীয়বঙ্গবন্ধুরা হাজার বছরে একবার আসে-নকলায় নবাগত বিভাগীয় কমিশনার উম্মে সালমা তানজিয়া

বঙ্গবন্ধুরা হাজার বছরে একবার আসে-নকলায় নবাগত বিভাগীয় কমিশনার উম্মে সালমা তানজিয়া

জাহাঙ্গীর হোসেন, শেরপুর : নবাগত ময়মনসিংহ

 

 

 

 

 

বিভাগীয় কমিশনার উম্মে সালমা তানজিয়া বলেছেন বঙ্গবন্ধুরা হাজার বছরে একবার আসে। সুতরাং বঙ্গবন্ধুর লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাঙালি জাতির অর্থনৈতিক মুক্তি আসতে পারে। বাঙালি জাতি বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে।

বিভাগীয় কমিশনার উম্মে সালমা তানজিয়া ১৯ জুলাই বুধবার দুপুরে শেরপুরের নকলা উপজেলা পরিষদ হলরুমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সুধীজনের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ মার্চের ভাসনে স্বাধীনতার বীজ বপন করেছিলেন। তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছে। দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমাদের স্বাধীনতা এসেছে। সুতরাং আমাদেরকে অবশ্যই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে লালন করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বুকে ধারন করে স্বাধীনতার মান রাখতে হবে। মানুষের কল্যাণে দেশের কল্যাণে কাজ করতে হবে। দেশ থেকে মাদক, সন্ত্রাস, বাল্যবিয়ে নির্মূল করতে হবে। তাহলেই আমরা স্বাধীনতার পূর্ণ স্বাদ ভোগ করতে পারব। শান্তি পাবে বঙ্গবন্ধুর বিদেহী আত্মার।
শেরপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) সাহেলা আক্তারের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদিয়া উম্মুল বানিন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ্ মো. বোরহান উদ্দিন, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রিয়াদ মাহমুদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুর, পৌরমেয়র হাফিজুর রহমান লিটন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহরিয়ার মোরছালিন মেহেদী, ইউপি চেয়ারম্যান নুরে আলম তালুকদার ভুট্রো, দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর হোসেন আহমেদ প্রমুখ।
পরে বিভাগীয় কমিশনার উপজেলা পরিষদ চত্বরে ১টি কামিনী ও ১টি বকুল ফুলের চারা রোপন করেন। উপজেলায় ভিক্ষুক পূণর্বাসন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ২ জন ভিক্ষুককে মালামালসহ ২টি দোকান ঘর হস্তান্তর করেন। কিশোর-কিশোরী ক্লাব স্থাপন প্রকল্পের ক্লাব সদস্যদের মাঝে ক্যারাতে ড্রেস ও বই বিতরণ করেন। বিআরডিবি’র অপ্রধান শস্য কর্মসূচির সুবিধাভোগী ১০ জন সদস্যের মাঝে ঋণের চেক বিতরণ করেন। উপজেলা ভূমি অফিস পরিদর্শন ও ইনোভেশন কার্যক্রম দর্শন করেন। গণপদ্দী ডিজিটাল ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় পরিদর্শন ও ইউডিসি দর্শন এবং গণপদ্দী ডিজিটাল ইউনিয়নের জালালপুর গ্রামের আশ্রয়ন প্রকল্প দর্শন করেন।
ওইসময় সহকারি কমিশনার (ভূমি) শিহাবুল আরিফ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, উপজেলা প্রকৌশলী আরেফিন পারভেজ, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. ইসাহাক আলীসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ ও স্থানীয় সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments