মোকলেচুর রহমান,দাকোপ খুলনা প্রতিনিধি:
খুলনার উপকূলীয় উপজেলা দাকোপে আইনশৃঙ্খলার অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটেছে। দাকোপ থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) শেখ খায়রুল বাশার-এর দূরদর্শী নেতৃত্ব ও কঠোর নির্দেশনায় মাদক, জুয়া এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পুলিশি তৎপরতা জোরদার হওয়ায় দীর্ঘদিনের অশান্ত দাকোপ এখন একটি শান্ত ও নিরাপদ জনপদে পরিণত হওয়ার দিকে। পুলিশের বার বার মাদক জুয়া ও আইনশৃঙ্খলার অভিযানে স্বস্তি প্রকাশ করে সাধারণ মানুষ প্রশাসনকে সাধুবাদ ও ধন্যবাদ জানাচ্ছেন।থানা সূত্রে জানা গেছে, যোগদানের পর থেকেই ওসি শেখ খায়রুল বাশার মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেন। তাঁর নির্দেশনায় দাকোপের বিভিন্ন ইউনিয়নে রাত-দিন পুলিশের বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অতি সম্প্রতি উপজেলার খাটাইল, বাজুয়া, কালাবগী,তিলডাঙ্গা এলাকা থেকে ইয়াবাসহ একাধিক মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নিয়মিত এসব অভিযানের ফলে চিহ্নিত মাদক কারবারি ও জুয়াড়িরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে। এতে দিন দিন মাদক জুয়া কমতে শুরু করেছে।
কেবল অপরাধী দমনই নয়, ওসির দিকনির্দেশনায় দাকোপ থানা পুলিশ সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিচ্ছে। উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় বিট পুলিশিং সভার মাধ্যমে চুরি, ডাকাতি, ইভটিজিং ও অনলাইন জুয়ার কুফল সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে। পুলিশের এই সক্রিয় ভূমিকার কারণে বর্তমানে এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলার প্রভূত উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, কমে এসেছে সাধারণ অপরাধের গ্রাফও। দাকোপের স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং সাধারণ জনসাধারণের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পুলিশের বর্তমান কার্যক্রম অত্যন্ত প্রশংসনীয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগে যেখানে সন্ধ্যার পর কিছু কিছু এলাকায় জুয়া আর মাদকের আড্ডা বসত, পুলিশের নিয়মিত টহলের কারণে এখন সেই পরিবেশ আর নেই। সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে ও শান্তিতে চলাচল করতে পারছেন। প্রশাসনের এমন জনবান্ধব ও কঠোর ভূমিকায় দাকোপের সর্বস্তরের মানুষ ওসি শেখ খায়রুল বাশার এবং তাঁর পুরো টিমকে আন্তরিক সাদুবাদ জানাচ্ছেন। দাকোপ থানা অফিসার্স ইনচার্জ শেখ খায়রুল বাশারের পরিষ্কার ভাষ্য,”অপরাধী যে-ই হোক, তার কোনো ছাড় নেই। দাকোপকে সম্পূর্ণভাবে মাদক, জুয়া এবং সব ধরনের অপরাধমুক্ত করে একটি মডেল থানায় রূপান্তর করতে অভিযান অব্যাহত থাকবে। এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ সব সময় জনগণের সাথে।


