মোঃ রেজাউল আজিম, বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
দক্ষিণ চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জলদী হোসাইনিয়া কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদ্রাসা জাতীয় পর্যায়ে নতুন এক গৌরব অর্জন করেছে। প্রখ্যাত আলেম, অলীকুল শীরোমনি ও ফক্বীহুল মিল্লাত মরহুম আল্লামা আলহাজ হাফেজ মাওলানা আবুল হাছন (রহ.) প্রতিষ্ঠিত এ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ধারাবাহিকভাবে শিক্ষা, নৈতিকতা ও দ্বীনি খেদমতে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে আজ দেশের অন্যতম শীর্ষ মাদ্রাসা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।
সম্প্রতি ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা সারা দেশের মধ্যে ১০০টি শ্রেষ্ঠ মাদ্রাসা নির্বাচন করেছে। নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম জেলার মাত্র চারটি মাদ্রাসা স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে জলদী হোসাইনিয়া কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদ্রাসা, বাঁশখালী অন্যতম হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সারা দেশ থেকে ১৪৫ জন মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীকে শ্রেষ্ঠত্বের মানদণ্ডে নির্বাচিত করে পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছে। তাদের মধ্যে জলদী হোসাইনিয়া কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদ্রাসার শিক্ষার্থী মোহাম্মাদ পারভেজ স্থান অর্জন করে প্রতিষ্ঠানের জন্য আরও একটি গৌরব বয়ে এনেছেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এ সাফল্যের পেছনে রয়েছে প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আল্লামা আবুল হাছন (রহ.)-এর আদর্শ, রুহানী তাওয়াজ্জুহ এবং তাঁর তিন সুযোগ্য আলেমপুত্র ও সাবেক অধ্যক্ষদের নিষ্ঠা, ত্যাগ ও দূরদর্শী নেতৃত্ব। পাশাপাশি হোসাইনিয়া পরিবারের বর্তমান দায়িত্বশীলদের সময়োপযোগী পদক্ষেপ, সাবেক সফল পৌরপতি আলহাজ কামরুল ইসলাম হোসাইনী, তাঁর অনুজ ইবরাহীম আল-হোসাইন, গভর্নিং বডির সার্বিক সহযোগিতা এবং বর্তমান অধ্যক্ষ আবু রাশেদ মোহাম্মাদ মোজ্জাম্মেল, উপাধ্যক্ষ ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা এ অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
প্রতিষ্ঠান-সংশ্লিষ্টরা মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে দোয়া কামনা করে বলেন, তিনি যেন জলদী হোসাইনিয়া কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদ্রাসার উত্তরোত্তর উন্নতি, সাফল্য ও দ্বীনি খেদমত আরও সমৃদ্ধ করেন। আমীন।


