মোকলেচুর রহমান,দাকোপ(খুলনা) প্রতিনিধি:
খুলনার দাকোপ উপজেলার ৫নং সুতারখালী ইউনিয়নে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বইছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। এরই মধ্যে সাধারণ মানুষ ও তরুণ প্রজন্মের মুখে মুখে উচ্চারিত হচ্ছে একটি নাম গাজী নাজমুল হাসান। এলাকার সর্বস্তরের জনগণ ও যুবসমাজ তাকে আসন্ন নির্বাচনে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দেখতে চায় এবং এই দাবি এখন গণদাবিতে পরিণত হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গাজী নাজমুল হাসান সুতারখালী ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে এবং ওয়ার্ডে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি মুখ। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সুতারখালী ইউনিয়নের প্রতিটি এলাকায় দলমত, জাতি ও ধর্ম নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়িয়েছেন। বিশেষ করে হিন্দু, মুসলিমসহ সকল ধর্মীয় অনুষ্ঠানে তার স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও আন্তরিক সহযোগিতা স্থানীয়দের মন জয় করে নিয়েছেএলাকাবাসীর মতে, গাজী নাজমুল হাসান একজন ক্রীড়াপ্রেমি সমাজসেবক,তিনি সংকটে মানুষের বিপদের বন্ধু। যেকোনো ধর্মীয় উৎসব— তা হোক পবিত্র ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা কিংবা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিভিন্ন ধর্মীয় মাহফিল-কীর্তন— সবখানেই তার নিয়মিত যাতায়াত। প্রতিটি ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে খোঁজখবর নেওয়া এবং বিপদে আর্থিক ও মানসিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়া তার প্রতিদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। সুতারখালী ইউনিয়নের কয়েকজন প্রবীণ ও তরুণ ভোটারের সাথে কথা বলে জানা যায়, “আমাদের ইউনিয়নে এমন একজন সৎ, যোগ্য এবং কর্মঠ নেতৃত্ব প্রয়োজন, যিনি দিনরাত জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন। গাজী নাজমুল হাসান তরুণদের অহংকার। তিনি স্থানীয় একটি কালাবগি যুব ফাউন্ডেশন নামের মানবিক সেবায় নিয়জিত প্রতিষ্ঠানের সাবেক সভাপতি ও কার্যনির্বাহী প্রধান সদস্য। তিনি যেভাবে সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে শ্রদ্ধা জানিয়ে সবার মন জয় করেছেন, তাতে আমরা মনে করি সুতারখালীর সার্বিক উন্নয়নের জন্য তার মতো নেতৃত্বই এখন সময়ের দাবি।”তরুণ ভোটাররা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং উঠান বৈঠকের মাধ্যমে গাজী নাজমুল হাসান পক্ষে ব্যাপক জনমত গড়ে তুলছেন। তারা তাকে “স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী” হিসেবে দেখতে চেয়ে গনমাধ্যমে এভাবেই আন্তরিকতার বার্তায় নিজেদের প্রত্যাশা ব্যক্ত করছেন।এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাজী নাজমুল হাসান জানান, “আমি পদের লোভে নয়, সুতারখালী ইউনিয়নের অবহেলিত ও নদীভাঙন কবলিত মানুষের সেবা করার মানসিকতা নিয়ে সব সময় ভালোর সাথে ন্যায় নীতির আদর্শ নিয়ে সমাজের অবহেলিত মানুষের পাশে ছিলাম আছি। সাধারণ মানুষের এই ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। তারা যদি আমাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান এবং মহান আল্লাহ তায়ালা যদি তৌফিক দেন, তবে আমি অবশ্যই সুতারখালী ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত ও বৈষম্যহীন মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে নির্বাচন করব।”সুতারখালী ইউনিয়নের সাধারণ ভোটারদের এই জোরালো দাবি নির্বাচনী মাঠে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলে দেবে। তবে সাধারণ মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত গাজী নাজমুল হাসান যে এই মুহূর্তে সুতারখালীর নির্বাচনী আলোচনায় অন্যতম শীর্ষ নাম, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।


