HomeUncategorizedকয়রায় আড়াই মাস পরেও উদ্ধার মেলেনি অপহরন কারি এসএসসি পরীক্ষার্থী: মায়ের সংবাদ...

কয়রায় আড়াই মাস পরেও উদ্ধার মেলেনি অপহরন কারি এসএসসি পরীক্ষার্থী: মায়ের সংবাদ সম্মেলন

মোস্তাফিজুর রহমান
​কয়রা প্রতিনিধি:

খুলনার কয়রায় প্রকাশ্য দিবালোকে এসএসসি পরীক্ষার্থী আফরোজা সুলতানা (১৬) কে অপহরণের আড়াই মাস পার হলেও তাকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। এমনকি চিহ্নিত অপহরণকারীও রয়ে গেছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। এই অবস্থায় নিখোঁজ মেয়ের জীবন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম শঙ্কা ও নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে ভুক্তভোগী পরিবারটি।

​আজ বুধবার (৩ জুন) সকাল ১১টায় কয়রা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কান্নায় ভেঙে পড়ে এই আকুল আবেদন জানান অপহৃতার মা আসমা পারভীন।

​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, গত ১৫ মার্চ উপজেলার মাদারবাড়িয়া গ্রামের নিজ বাড়ির সামনে থেকে তার ১৬ বছর বয়সী স্কুলপড়ুয়া মেয়ে আফরোজা সুলতানাকে মোটরসাইকেলে করে জোরপূর্বক অপহরণ করে নিয়ে যায় একই এলাকার সামাদ গাজীর বখাটে ছেলে রুবেল গাজী (২৮) ও তার সহযোগীরা। মেয়ের চিৎকারে স্বজনরা বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগেই অপহরণকারীরা দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে।

​আসমা পারভীন অভিযোগ করেন, ঘটনার পরপরই রুবেল গাজীর পিতা সামাদ গাজীকে বিষয়টি জানানো হলে তিনি মেয়েকে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েও পরে আর কোনো পদক্ষেপ নেননি। বাধ্য হয়ে গত ২৫ মার্চ কয়রা থানায় রুবেল গাজীকে প্রধান আসামি করে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করা হয়। তবে মামলা দায়েরের আড়াই মাস পেরিয়ে গেলেও পুলিশ প্রশাসন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার বা আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

​সংবাদ সম্মেলনে আসামির অতীত অপরাধের ইতিহাস তুলে ধরে বলা হয়, অপহরণকারী রুবেল গাজী একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী, মাদকসেবী ও সুন্দরবনের সাবেক দস্যু। এর আগেও সে অস্ত্রসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়ে এক বছরেরও বেশি সময় কারাগারে ছিল। তার একাধিক বিয়ে রয়েছে এবং আগের স্ত্রীদের দায়ের করা মামলাও চলমান।

​অসহায় মা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,

​দেশে আইনের শাসন থাকা সত্ত্বেও একজন চিহ্নিত অপরাধীকে খুঁজে পেতে প্রশাসনের কেন এত দীর্ঘ সময় লাগছে। এই বখাটের কারণে আমার মেয়েটা এবার এসএসসি পরীক্ষাও দিতে পারল না। তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ আজ চরম হুমকির মুখে। আমরা পুরো পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

​সংবাদ সম্মেলন থেকে গণমাধ্যমের মাধ্যমে দেশবাসী, পুলিশ প্রশাসন ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে অবিলম্বে আফরোজা সুলতানাকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার এবং চিহ্নিত সন্ত্রাসী রুবেল গাজীকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

এ প্রসঙ্গে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ শাহ আলম বলেন: অপহরণ করার বিষয় টি মিথ্যা আফরোজা সুলতার সাথে একই গ্রামের রুবেলের প্রেম ছিল তার সাথে পালিয়ে গিয়েছে তবে বিষয় টি আমরা খতিয়ে দেখছি।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments