কয়রা উপজেলা প্রতিনিধি:
খুলনার কয়রা উপজেলার আমতলা মহেশ্বরীপুর গ্রামের মিজানুর রহমান সরদারের পুত্র মোঃ এমদাদুল সরদার তাহার স্ত্রী রহিমা খাতুন, শ্বাশুড়ী শাহিনুর বেগম ও শ্যালক আবুল বাশারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও চুরির অভিযোগসহ নানা অভিযোগে গত ইং ২৭/০৯/২০২৬ তারিখে কয়রা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা করেন। যাহার মামলা নং সিআর-৬৫৪/২৬।
বাদী ও মামলা সুত্রে জানা যায়, বাদীর স্ত্রী রহিমা খাতুন বাদীর উপার্জিত টাকা কৌশলে তাহার পিতার বাড়িতে পাঠাতো, বাদী জানতে চাইলে হুমকি ধামকি দিয়া বলে যে, তোকে একা পেলে আমরা তোকে হত্যা করে লাশ গুম করিয়া ফেলিব।
তিনি আরও জানান গত ইং ১২/০৯/২০২৬ তারিখে বিবাদীগণ আমার বসত বাড়ীতে আসিয়া আমাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করিতে থাকে ,আমি গালিগালাজের কারণ জিজ্ঞেস করিলে শাহিনুর বেগম ক্ষমতার প্রভাব দেখাইয়া হুকুম দিয়া বলে যে, শালাকে জীবনের তরে শেষ করে দে, বলার সাথে সাথে আমার স্ত্রী ও শ্যালক তাহার কাছে থাকা গামছা দিয়া আমার গলায় ফাস দিয়া টানিয়া হত্যার চেষ্টা করে। আমার শ্যালক আমার হাতে থাকা স্মার্ট ফোন মূল্য ২৩,০০০/- টাকা জোরপূর্বক ছিনাইয়া লয়। তৎক্ষণাৎ সকল বিবাদীগণ আমার গৃহে প্রবেশ করিয়া আমার ঘরে রক্ষিত ট্রাঙ্ক ভাঙ্গিয়া ট্রাঙ্ক হইতে নগদ ১,০০,০০০/- টাকা আমার স্ত্রী, ৮ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন যাহার মূল্য ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা আমার শ্বাশুড়ি, এক জোড়া ৪ আনা ওজনের কানের দুল মূল্য ৫০,০০০/- টাকা আমার শ্যালক নিয়া নেয়। এছাড়াও তারা দা উচু করিয়া আমাকে জীবন নাশের হুমকি দেয়।
তিনি আরও জানান আমি জানতে পেরেছি আমার স্ত্রী আমার টাকা স্বর্নলংকার আত্মসাৎ করে বিদেশ গমনের চেষ্টা করছে। আমি চাই যাতে সে বিদেশে যেতে না পারে। সেজন্য আমি ইমিগ্রেশনসহ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমার স্ত্রী যাতে আমার টাকা আত্মসাৎ করে বিদেশে যেতে না পারে।
এ ব্যাপারে কয়রা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে খোজ নিয়ে মামলার সত্যতা পাওয়া যায়।


