Homeজাতীয়১২ কিলোমিটার ভাঙা সড়কে ভোগান্তিতে অর্ধলাখ মানুষ

১২ কিলোমিটার ভাঙা সড়কে ভোগান্তিতে অর্ধলাখ মানুষ

মোঃ যুবরাজ মৃধা পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ-

 

 

 

 

পটুয়াখালী কলাপাড়ার ধানখালী ইউনিয়নের ১২ কিলোমিটার সড়ক। দীর্ঘ দিন সংস্কার না হওয়ায় ব্যাবহার অনুপযোগী হয়ে পরেছে টিয়াখালী থেকে প্যাদার হাট পর্যন্ত এ সড়ক।

 

তাই এই সড়ক নিয়ে দুর্ভোগে রয়েছেন,কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ও চম্পাপুর ইউনিয়নের প্রায় অর্ধলাখ মানুষ। কলাপাড়া উপজেলার টিয়াখালী ব্রিজ থেকে প্যাদার হাট হয়ে ধানখালী ইউনিয়নের কানাইমৃধা পর্যন্ত সড়কের দৈর্ঘ্য ১২ কিলোমিটার। প্রধান এই সড়ক দিয়ে চলাচল করে ২ ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। এ ছাড়া এই সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করে ৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১টি কলেজ ও ৩টি মাদরাসার কয়েক হাজার শিক্ষার্থী ও সাধারন জনগণ।

 

তবে প্রায় ১৫ বছরে আগে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধের উপর সড়কটি নির্মাণ করে এলজিইডি। সড়কটি নির্মাণের কয়েক বছর পরই বন্যার কারণে বিভিন্ন স্থানে ভেঙে গিয়ে বেহাল দশায় পরিণত হয়। মাঝেমধ্যে স্থানীয়রা মাটি দিয়ে সংস্কার করলেও বর্তমানে সড়কটি ব্যাবহার অনুপযোগী হয়ে বিভিন্ন স্থান দেবে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে । তারপরও কোনো উপায়ন্তর না পেয়ে এই সড়ক দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ। বিকল হচ্ছে যানবাহন। মোটরসাইকেল ছাড়া কোনো যানবাহন চলাচল না করায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে কোমলমতি শিশু ও বৃদ্ধদের। নবনির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান মো. টিনু মৃধা জানান, আমরা এখনো দায়িত্বভার গ্রহণ করিনি, তবে এলজিইডির কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি আশা করি খুব শিগগিরই রাস্তার কাজটি সম্পন্ন করবে ।

 

কিন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. সবিবুর রহমান এলজিইডির গাফেলতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, টিয়াখালী নদীর বেড়িবাঁধের উপর নির্মিত এলজিইডি সড়কে সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চলাচল করায় বেড়িবাঁধের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া দেড়শ’ মিটার ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধে রিংডাই করার উদ্যোগ নিলেও জমি সমস্যার কারণে তা বিলম্ব হচ্ছে। দ্রুতই বেড়িবাঁধের ভাঙা অংশ ঠিক করা হয়ে থাকে।

 

পটুয়াখালী এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. লতিফ হোসেনের কাছে সড়কটির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সড়কটি সংস্কারের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে প্রস্তাবনা তৈরি করে পাঠানো হয়।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments