রামগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ মোবারক হোসেন
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে দুই নং নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের মোতাল্লেব হোসেন (লেদু মুন্সী ) তার নামের সাথে “ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি” যুক্ত হওয়ার পর পরই নানান অন্যায় ও অপরাধমূলক কাজের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে গেছে।
এলাকায় চাঁদাবাজি, সালিশ বাণিজ্য, নানান অপকর্ম তার নামের অভিযোগ যুক্ত হয়ে উঠেছে।
দুই নং নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের প্রতিটি মানুষ লেদু মুন্সির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেছে।
বিএনপির নাম ব্যবহার করে ক্ষমতার অপব্যবহার কাজেও জড়িত লেদু মুন্সী। শুধুমাত্র এলাকার মানুষ নয়, তার ওয়ার্ডের বিএনপির জনগনও তাকে এখন আর চায় না। কারণ তার কর্মকাণ্ড বিএনপি’র নামের সাথে জড়িত হচ্ছে। তাই ওয়ার্ড বিএনপি তৃণমূল কর্মীরা তার অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ প্রতিক্রিয়া গড়ে তুলেছে।
ওয়ার্ড বিএনপি সকলের একটাই দাবি তার সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ।
” যদি এলাকার ভোট চান, তবে লেদি মুন্সির পদত্যাগ করান”।
৫ জানুয়ারি ২০২৬ ইং
গত ১৩ই এপ্রিল ২০২৫ রোজ রবিবার রামগঞ্জে ফেসবুক পেজ নিউজ এ” আমার টিভিতে প্রকাশিত হয় লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ২ নং নোয়াগাও ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির নেতা মোতালেব হোসেন( লেদু) শৈরশৈ গ্রামে সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জসীমউদ্দীনের অবৈধ মাটি কাটার উৎসবে চাঁদাবাজি করে সার্বিক সহযোগিতা করছে বলে জানা যায়। পরবর্তীতে ওয়ার্ড বিএনপি কাউন্সিল নির্বাচনে সভাপতি পদ লাভ করেন মোতালেব হোসেন লেবু। ওয়ার্ড বিএনপির নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে তার চাঁদাবাজির প্রশারতা বাড়ছে বলে মনে করে স্থানীয়রা, স্থানীয়রা বলছেন এক থেকে দুই জায়গা নয়, যেখানে লদু মুন্সীর হাত সেখানে চাঁদাবাজি করছে বলে প্রমাণ আছে।
ইতিমধ্যে পানাউল্লা বেপারি বাড়ির মৃত ওয়াবলীর ছেলে প্রবাসে অ্যাক্সিডেন্ট প্রতিবন্ধী মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের ঘর না থাকার কারণে, আস- সুন্নাহ ফাউন্ডেশন তাকে ঘর করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু মোতল্লেব হোসেন লেদু এখানেও চাঁদাবাজির একটা সুযোগ পেয়ে যায়। আনোয়ার হোসেনের আম্মা সালেহাকে গিয়ে বলেন, এই ঘর আনতে অনেক টাকা খরচ হবে, আপনি আমাকে ৬০০০ টাকা দেন, আমি আনার ব্যবস্থা করে দিচ্ছিন। এই বলে ভুলভাল বুঝিয়ে প্রতিবন্ধী আনোয়ার হোসেনের আম্মার কাছ থেকে ৬০০০ টাকা নিয়ে যায়।
এভাবে এলাকার শালিশ বাণিজ্য থেকে শুরু করে যেখানে অপ্রয়োজনে কাজ, সেখান থেকেও টাকা দানাই করে নিচ্ছে লেদু মুন্সী। এভাবে যদি চলতে থাকে তবে বিএনপির অবস্থা আরো করুন হবে বলে ধারণা করা যায়।
তাই বিএনপির ঊর্ধতম কর্মকর্তাদের প্রতি অনুরোধ তারা উপযুক্ত তথ্য যাচাই করে লেদু মুঞ্সীর বিরুদ্ধে আইনের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।


