HomeUncategorizedগাইবান্ধায় CSCT প্রশিক্ষণের সমাপনী: শান্তি ও সহিষ্ণুতা গঠনে নতুন দিগন্ত

গাইবান্ধায় CSCT প্রশিক্ষণের সমাপনী: শান্তি ও সহিষ্ণুতা গঠনে নতুন দিগন্ত

রউফুল আলম, ব্যুরো চীফ, রংপুরঃ
গাইবান্ধায় “কনফ্লিক্ট সেনসিটিভিটি অ্যান্ড কনফ্লিক্ট ট্রান্সফরমেশন (CSCT)” বিষয়ক চারদিনব্যাপী প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২০ মে ২০২৬) বিকাল ৫টায় গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (GUK) প্রধান কার্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত এ সমাপনী অনুষ্ঠানটি ছিল প্রাণবন্ত ও তাৎপর্যপূর্ণ।

এডাব (ADAB) গাইবান্ধা জেলা কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণে সভাপতিত্ব করেন শারমিন সুলতানা, সহ-সভাপতি, এডাব গাইবান্ধা জেলা শাখা।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব এম. আব্দুস সালাম, সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য, এডাব কেন্দ্রীয় কমিটি এবং নির্বাহী প্রধান, গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (GUK), গাইবান্ধা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জনাব আমিনুল ইসলাম সরদার, সদস্য সচিব, এডাব গাইবান্ধা জেলা ও নির্বাহী পরিচালক, কমিউনিটি ম্যানেজমেন্ট সেন্টার, পলাশবাড়ী, গাইবান্ধা।

প্রশিক্ষণের ফ্যাসিলিটেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পাপলু চাকমা এবং উত্তরা ত্রিপুরা (মহিলা কল্যাণ সমিতি), প্রতিনিধি, মালেয়া ফাউন্ডেশন, রাঙ্গামাটি। প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করে মালেয়া ফাউন্ডেশন এবং সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন রংপুর বিভাগের বিভাগীয় সমন্বয়কারী এস. এম. আনিছুর রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রোগ্রাম অফিসার তাহমিনা বাশার নাজনীন (এডাব) এবং মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন অফিসার সমাপিকা হালদার।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীরা তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন,
“আমরা এই প্রশিক্ষণ অন্তরে ধারণ করেছি। এটি শুধু একটি প্রশিক্ষণ নয়, বরং ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য একটি দিকনির্দেশনা। দেশ, মাটি ও মানুষের কল্যাণে এ প্রশিক্ষণের গুরুত্ব অপরিসীম। এ ধরনের প্রশিক্ষণ ৪ দিনের পরিবর্তে ১০ দিনব্যাপী হলে আরও কার্যকর হতো।”

বক্তারা তাদের বক্তব্যে বর্তমান প্রেক্ষাপটে সংঘাতের ক্রমবর্ধমান প্রবণতার কথা তুলে ধরে বলেন, টেকসই উন্নয়ন ও সামাজিক সম্প্রীতি নিশ্চিত করতে ‘কনফ্লিক্ট সেনসিটিভিটি’ অপরিহার্য। তারা আরও উল্লেখ করেন, এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা সংঘাতের মূল কারণ বিশ্লেষণ, সহিষ্ণুতা চর্চা এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের কৌশল প্রয়োগে বাস্তবভিত্তিক দক্ষতা অর্জন করেছেন।

উল্লেখ্য, ১৭ থেকে ২০ মে ২০২৬ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণে জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি, কর্মী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন, যা ভবিষ্যতে স্থানীয় পর্যায়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও সংঘাত নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments