মোকলেচুর রহমান,দাকোপ খুলনা প্রতিনিধিঃ
দাকোপ উপজেলা খুলনার দক্ষিণে অবস্থিত উপকূলীয় অঞ্চল।এ অঞ্চলে রয়েছে দিন মজুরী শ্রমজীবি কৃষক জেলে জনগোষ্ঠীর বসবাস। দাকোপ উপজেলা নদী পথে ভ্রমণে তিনটি ভাগে বিভক্ত। মোট ৯টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত যথাঃ পানখালী ইউনিয়ন,তিলডাঙ্গা ইউনিয়ন। একদম দক্ষিণ সীমানায় দাকোপ খেওয়াঘাট পার হলেই ২ টি কামারখোলা, সুতারখালী ইউনিয়ন। অপর দিকে অর্থাৎ দক্ষিণ পূর্ব কনে রয়েছে দাকোপ, বাজুয়া, লাউডোব, কৈলাশগন্জ ও বানিশান্তা ইউনিয়ন। মোট জনবসতি ১,৫২,৩১৬ জন (যার মধ্যে পুরুষ ৭৬,২৯১ জন এবং মহিলা ৭৬,০২৫ জন) এবং ৩৬,৫৯৭টি পরিবার রয়েছে। তবে সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই উপজেলার মোট জনসংখ্যা ১,৫৮,৩০৯ জন (প্রায়)। মোট, ৯৯১.৯৮ বর্গকিমি (৩৮৩.০১ বর্গমাইল).দাকোপ উপজেলায় ৩৬,৫৯৭টি পরিবার এবং জনসংখ্যা ১,৫২,৩১৬ জন।জনসংখ্যা, ১,৫৮,৩০৯ জন ২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী ; পুরুষ, ৭৯,২৯২ জন (প্রায়) ; মহিলা, ৭৯,০১৭জন (প্রায়) ; লোক সংখ্যার ঘনত্ব, (প্রতি বর্গ কিঃ জনসংখ্যা ১৫২৩১৬; পুরুষ ৭৬২৯১, মহিলা ৭৬০২৫। মুসলিম ৬৩৩৩৪, হিন্দু ৮৬১১৩ এবং খিস্টান ২৮৬৯। এর মধ্যে রয়েছে প্রধান নদী: পশুর, শিবসা,মানকী,ভদ্রা। পলাশবাড়ী,চুরিয়া,ভাংঙ্গাসহ নলিয়ান নদী।এ নদীগুলো রয়েছে জনগনের জীবন জীবিকার তাগিদে পরস্পর মিলিত। উপজেলায় সকল ধর্মের জনগোষ্ঠীর বসবাসের স্থান শান্তির দাকোপ। সব মিলে সামাজিকতার বন্ধনে আন্তরিকতায় সকলের বসবাস। এর মধ্যে রয়েছে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের চিত্র আর জীবন যাপন। বর্তমান দাকোপ উপজেলার সব চেয়ে বড় সমস্যা হলো ওয়াপদা রাস্তা ঝুঁকিপূর্ণ স্থান ১নং পানখালী ইউনিয়নের বড় খলিসা,জাবেরের খাওয়া ঘাট, লক্ষ্মীখোলা পিচের মাথা,খোনা মোল্লা বাড়ি সহ রয়েছে এছাড়া তিলডাঙ্গা ইউনিয়নের বটবুনিয়া বাজার, কামিনিবাসিয়া ক্যাম্প, বাজুয়ার চুনকুড়িসহ পোদ্দার গন্জ পুরাতন খেওয়া ঘাট সংলগ্ন বাজার। এ ঝুঁকি পূর্ণ ভাঙ্গন গুলো বর্তমান দাকোপবাসীর জন্য চরম আতংক আর চিন্তার কারণ। এ ভাঙ্গন রোধের বিষয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের এক কর্মকর্তা জানান, খুব দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ ভাঙ্গন এলাকায় কাজ হবে এবং দাকোপ পিচের মাথা নামক স্থানে কাজ চলমান রয়েছে।


