Homeঅভিযোগসাংবাদিক পরিচয়ে হয়রানি ও অপপ্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

সাংবাদিক পরিচয়ে হয়রানি ও অপপ্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

মোস্তাফিজুর রহমান
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার কয়রা উপজেলার ২ নম্বর বাগালী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এসএম আতিয়ার রহমান তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদকে “মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে কয়রা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও কয়েকটি অনলাইন পোর্টালে তাকে জড়িয়ে ভিজিএফ চাল বিতরণে টাকা নেওয়ার অভিযোগ সংক্রান্ত বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন তিনি।

আতিয়ার রহমান জানান, গত ১০ মে বাগালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য, ট্যাগ অফিসারের প্রতিনিধি, ইউপি সচিব, দফাদার ও চৌকিদারের উপস্থিতিতে নিয়ম মেনে জেলেদের মাঝে ভিজিএফ চাল বিতরণ করা হয়। এ সময় দেলোয়ার ও রাকিব নামের দুই ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয়ে চাল কম দেওয়ার অভিযোগ তোলেন। পরে তাদের সামনেই চাল মেপে জনপ্রতি ৭৭ কেজি করে বিতরণ করা হয় বলে দাবি করেন তিনি। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ৭৭ কেজি চাল দেওয়ার কথা থাকলেও তারা ধারণা করেন ৮০ কেজি করে চাল দিতে হয়। তারা না জেনে অভিযোগ তোলেন এবং চাঁদা দাবি করেন। অথচ পরিপত্রে ৭৭ কেজির কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি আরও দাবি করেন উপকারভোগীদের কাছ থেকে তিনি কোন টাকা নেন নি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ওই দুই ব্যক্তি তার কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন এবং টাকা না দিলে সংবাদ প্রকাশের হুমকি দেন। পরে ‘কয়রা সাংবাদিক ফোরাম’ নামের একটি ফেসবুক পেজ ও কয়েকটি অনলাইন মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করা হয় বলে জানান তিনি।

ইউপি সদস্যের ভাষ্য,
কয়রা সাংবাদিক ফোরামের নামে এর আগেও বহু অপপ্রচারের অভিযোগ রয়েছে। ওই পেজের এডমিন আওয়ামী দোসর তারেক লিটু। সাংবাদিকতার নামে বিভিন্ন মানুষকে জিম্মি করে অর্থ বাণিজ্য করা তার অন্যতম কাজ। বহু আগেই কয়রার জনগণ তাকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেছে। ওই তারেক লিটু এখন আর এলাকার কোথাও পাত্তা পায় না। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন কয়রার পেশাদার সংবাদকর্মীরা তার অপপ্রচারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় কমিশনারসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দেন। ওই তারেক লিটুর অন্যতম সহযোগী এই দেলোয়ার হোসেন। দেলোয়ার হোসেন ৫ আগস্টের পর থেকে খাল দখলসহ বিভিন্ন মানুষকে জিম্মি করে অর্থবাণিজ্য করে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ তোলেন আতিয়ার।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

এ বিষয়ে দেলোয়ার হোসেন জানান, তিনি কোন চাঁদা দাবি করেন নি। তবে তথ্য নিতে গেলে ওই মেম্বার দুর্ব্যবহার করেন। প্রতিবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, চাল ৭৭ কেজি করে দেয়া হলেও জনপ্রতি একশত টাকা নেয়া হয়।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments